যশোর সদর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের রায়মানিক এলাকায় একটি ধর্ষণ মামলার বাদীর পরিবারকে মামলা তুলে নিতে চাপ, প্রাণনাশের হুমকি এবং শিশুকে অপহরণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় যশোর কোতয়ালী থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সদর উপজেলার রায়মানিক গ্রামের বাসিন্দা লাবু হোসেন (২৫) তার ৯ বছর বয়সী কন্যা লামিয়াকে ধর্ষণের ঘটনায় গত ৯ ডিসেম্বর যশোর কোতয়ালী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় রুজু করা হয়। এজাহারভুক্ত আসামি সোহাগ হোসেন (৩৫) বর্তমানে পলাতক রয়েছে।
লাবু হোসেন অভিযোগ করেন, মামলার পর থেকেই আসামির স্বজনরা বিভিন্নভাবে মামলা তুলে নিতে চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। তারা ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ টাকার বিনিময়ে মীমাংসার প্রস্তাবও দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় তার পরিবারের ওপর হামলার ষড়যন্ত্র করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়,গত ২২ মার্চ ২০২৬ রাত সাড়ে ৭টার দিকে অভিযুক্তরা তার বসতঘরে প্রবেশ করে বিষাক্ত স্প্রে প্রয়োগ করে তার স্ত্রী সোনিয়া বেগম (২৫) ও শাশুড়ী রেকসোনা (৪৫)-কে অজ্ঞান করে ফেলে। এ সময় তারা শিশু লামিয়াকে অপহরণের চেষ্টা করে। তবে বাড়ির লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে চিৎকার করলে অপহরণকারীরা শিশুটিকে উঠানে ফেলে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়দের সহায়তায় অসুস্থ দুইজনকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়,তারা বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন। এঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত কাজী বাবুল হোসেন বলেন, অভিযোগ পাওয়া গেছে, বিষয়টি চানপাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জকে তদন্ত করতে দেওয়া হয়েছে।



