ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পটি ঘটেছে রাত পৌনে ১০টার দিকে। বাংলাদেশের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সূত্র জানায়, এর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের মাগওয়ে প্রদেশ এবং রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৯।
এর আগে, একই দিনে ভোরের দিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ভোরের এই ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়ায় এবং এর মাত্রা রিখটার স্কেলে ৪.১ রেকর্ড করা হয়েছে।
রাতের ভূমিকম্পের সময় রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাসিন্দারা হঠাৎ ভূমিকম্প অনুভব করে আতঙ্কিত হন। অনেকেই বাড়ি থেকে বের হয়ে খোলা জায়গায় আশ্রয় নেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে স্থায়ী নিরাপত্তা ও পূর্বপ্রস্তুতি জরুরি।
বাংলাদেশের ভূ-ভৌগোলিক অবস্থান ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় হওয়ায় মাঝে মাঝে মধ্যমানের বা মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। মাগওয়ে প্রদেশের ভূমিকম্পটি তুলনামূলকভাবে শক্তিশালী হওয়ায় এর ধাক্কা বাংলাদেশেও অনুভূত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা নাগরিকদের ঘর বা ভবনের নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন এবং ভূমিকম্পকালীন জরুরি প্রস্তুতি সম্পর্কে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়া ভবিষ্যতে সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রশাসনিক ব্যবস্থা জোরদার রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সংক্ষেপে, আজকের দুই দফার ভূমিকম্প বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। মিয়ানমারের মাগওয়ে প্রদেশ থেকে উৎপত্তি হওয়া রেকর্ড ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্পই রাজধানী ও প্রধান শহরগুলোতে স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে।
Discover more from Jashore Khabor
Subscribe to get the latest posts sent to your email.

