আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরে উৎসব মুখর পরিবেশে শুরু হয়েছে গণভোটের ‘মক ভোটিং’। আজ বুধবার বেলা ১১ টায় মনিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ শহীদ স্মৃতি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যাপীঠে এই মক ভোটিংয়ের আয়োজন করা হয়।
নিজে মক ভোটিংয়ে ভোট দিয়ে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান। নারী পুরুষেরা পৃথক দুটি লাইনে দাঁড়িয়ে সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ভোট দিতে দেখা গেছে।
আয়োজকরা জানান, সাধারণ মানুষের কাছে গণভোটের পরিচিত করতেই এই ধরণের আয়োজন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটের ব্যালট পেপারের নমুনা নিয়ে এ ভোটের আয়োজন করা হয়েছে।
নির্বাচনের মতোই ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, পোলিং এজেন্ট ও ভোটার সবই ছিলো এই মক ভোটিংয়ে। নিয়ম অনুযায়ী ভোটাররা লাইন ধরে ভোট দিয়েছেন। মক ভোটের এই ধরণের মহড়া চলমান থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
রাজগঞ্জ এলাকার আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আশা করছি মানুষের কাছে ভালো বার্তা যাবে। সামনে যেই নির্বাচন হবে, আশা করছি সুশৃঙ্খল ও সুষ্ঠু হবে।
জাতীয় নির্বাচনের ভোট ও গণভোট দুটি নিয়ে বুঝতে সমস্যা হয়নি বলেও জানান তিনি। তবে ঝাঁপা থেকে আসা নজরুর ইসলাম নামে আরেক ব্যক্তি বলেন, ‘গণভোট সম্পর্কে জানা ছিলো না। টিক চিন্হ দিয়ে গণভোট দিলাম।’
সুমন নামে এক যুবক বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশে নতুনভাবে ভোটের আয়োজন হতে যাচ্ছে। যারা সংস্কার চান, তারা হ্যা চিন্হ টিক দিবে; আর যারা সংস্কার চায় তারা না চিন্হে টিক দিবে। ভোটের আগে এই ধরণের মক ভোটিয়ে ধারণা পেলাম। এই আয়াজন প্রতিটি কেন্দ্রে কেন্দ্র হলে ভালো হয়।’
জেলা প্রশাসক ও জেলা রির্টানিং অফিসার মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, ‘এবার প্রথমবারের মতো সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হচ্ছে। গণভোট সম্পর্কে সাধারণ মানুষের ধারণা না থাকাতে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গণভোটকে বেশি প্রচারণা করতে, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অ্যাসেম্বলিতে শিক্ষকেরা গণভোট সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের ধারণা দিচ্ছে।
এছাড়া জেলায় ১২ হাজারের মতো মসজিদে জুম্মার খুতবার আগে গণভোট সম্পর্কে ইমামরা ধারণা দিচ্ছে। জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে বিভিন্ন হাট বাজারে গণভোটের প্রচারণা চালানো হচ্ছে।’
Discover more from Jashore Khabor
Subscribe to get the latest posts sent to your email.

