Homeনির্বাচননির্বাচন এলেই ‘বেহেশতের টিকিট’ বিতর্ক: অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলামের

নির্বাচন এলেই ‘বেহেশতের টিকিট’ বিতর্ক: অভিযোগ স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলামের

Share

নড়াইল-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম বলেছেন, নির্বাচন এলেই একটি গোষ্ঠী বেহেশতের টিকিট বিক্রি করে থাকে। ধর্মের দোহাই দিয়ে তারা এই অপকর্মে লিপ্ত। এই গোষ্ঠী আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১০টির বেশি আসন পাবে না। তিনি কলস প্রতীককে আপামর জনসাধারণের মার্কা বলে অভিহিত করে ভোট প্রার্থনা করেন। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকাল ৪টায় নড়াইলের লোহাগড়ার ঐতিহ্যবাহী মোল্যার মাঠে অনুষ্ঠিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

নড়াইল জেলা বিএনপির প্রবীণ নেতা তবিবুর রহমান মনু জমাদ্দারের সভাপতিত্বে ও লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির (সদ্য বহিস্কৃত) সভাপতি আহাদুজ্জামান বাটুর সঞ্চালনায় নির্বাচনী জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক বিএনপি নেতা বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী জাহিদুল হক পাপ্পু, নড়াইল সদর উপজেলা বিএনপির (সদ্য বহিষ্কৃত) সাধারণ সম্পাদক মুজাহিদুর রহমান পলাশ, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহবায়ক মিলন ঘোষ, লোহাগড়া উপজেলা বিএনপির (সদ্য বহিষ্কৃত) সাধারণ সম্পাদক কাজী সুলতানুজ্জামান সেলিম এবং লোহাগড়া পৌর বিএনপির (সদ্য বহিস্কৃত) সভাপতি মিলু শরীফ।

জনসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মনিরুল ইসলাম বলেন, কলস স্বাধীনতার প্রতীক। কলস বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতীক। কলস হিন্দু-মুসলমানের প্রতীক। সর্বোপরি কলস নড়াইল ও লোহাগড়ার আপামর জনসাধারণের প্রতীক। কলস প্রতীকে ভোট দিলে নড়াইল-লোহাগড়ায় কোন হামলা-মামলা হবে না। মিথ্যা মামলা হবে না। অসা¤প্রদায়িক নড়াইল গড়তে হলে কলস প্রতীকে ভোট দিতে হবে। তিনি উপস্থিত সাধারণ ভোটারদের কলস প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহবান জানান।

দুপুরের পর থেকেই জনসভাস্থলে নড়াইল পৌরসভাসহ সদর উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন এবং লোহাগড়া পৌরসভাসহ ১২টি ইউনিয়ন থেকে কলস প্রতীকের সমর্থনে খন্ড খন্ড মিছিল আসতে থাকে। জনসভা শুরুর সাথে সাথে ঐতিহ্যবাহী মোল্যার মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে জনসমুদ্রে রূপ নেয়।

আরও পড়ুন

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন